জনাব রহমানের প্রশ্নের জবাবে

0
279

জনাব রহমান,

প্রথমতঃ

আমি যে আপনাকে ইমেইল করেছিলাম সেটির প্রমাণটি দিয়ে নেই। আপনাকে সতর্ক করে ইমেইল করেছিলাম ২০১৪ সালের জানুয়ারীর ১ তারিখে। নীচে স্ক্রীন শর্ট দিয়ে দিচ্ছি ইমেইলের। মূল বিষয়ের ডিটেইল দিচ্ছিনা, যেহেতু আইনী নোটিশ আছে। কিন্তু তাতেও আপনার অবিশ্বাস থাকলে দিতে তো হবেই। আর আমার ইমেইল আপনার না পাবার কথা না। কেননা আপনার যেই ইমেইলে আমি প্রি প্রসিডিংস চিঠি পাঠিয়েছিলাম সেটি থেকে আপনি এর আগেও আমাকে মেইল করেছিলেন আপনার বিভিন্ন বইয়ের প্রচার করে। যেমন প্রেস জোকস।

সুতরাং যুক্তি মতে আমার ইমেইল আপনার পাবার কথা।

সেই ইমেইলের স্ক্রীন শর্টঃ

biplob-rahman-1আপনি একটি আইনী ইমেইলকে “হুমকি” মনে করেন জেনে অবাক-ই হয়েছি। আপনি সাংবাদিকতা করেন, অথচ সামান্য এই জ্ঞানটুকুও আপনার নেই যে, কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যাক্তি প্রথমেই যে কোনো ব্যাপারেই আইনকে প্রাধান্য দেয়। আর আমি যেখানে একজন ব্যারিস্টার এবং সলিসিটর তথা আইনজীবি, সেখানে আমি তো আমি আইনের আশ্রয় নেবই। এটাই স্বাভাবিক। আর আইনকে হুমকি হিসেবে নেবেন না দয়া করে। আইনের আশ্রয় চাওয়া সাংবিধানিক ভাবে আমার অধিকার।

ভবিষ্যতে আপনি আমার বিরুদ্ধে অনলাইনে, অফলাইনে কুৎসা রটালে, আমাকে নিয়ে নোংরা মন্তব্য করলে আর ইমেইল নয়, আইনে ঠিক যেভাবে যেভাবে বলা রয়েছে ঠিক সেভাবে আমার ঢাকার চেম্বার থেকে আপনার ব্যাপারে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে আপনাকে কোনো ধরনের পূর্ব নোটিফিকেশন ছাড়াই এবং অবশ্যই সাইবার বুলি করবার জন্য সাইবার ক্রাইমেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দ্বিতীয়তঃ

আপনি নিজেই নিশ্চিত নন যে “ফ্রিডম পার্টির জামাই”- নামে কুৎসিত অভিধার ব্যাপারে। অথচ সেই আপনিই আপনার ফেসবুক দিয়ে আমার ছবি ক্রপ করে আমার নামে নোংরামি করে বেড়িয়েছেন অন্যের পোস্টে। দেখে নিন যে কিভাবে আপনি আমার একটা ছবিকে কেটে তার উপর লিখেছেন- “ফৃডম জামাতা, নিঝুমরে কইয়া দিমু”

thumbnail_biplob
আপনি নিশ্চিত করে বলতেও পারছেন না যে কে বা কোথায় আমাকে এইসব কুতসিত নামে ডেকেছে কিংবা সেসব কথার পেছনে কোন সত্যতা রয়েছে কিনা। সেসব না খতিয়ে দেখেই আপনি আমার ছবিকে ক্রপ করে এইসব নোংরামি করেছেন। এটা কি একজন রিজেনেবল মানুষের আচরন? বাংলাদেশের একজন সাংবাদিকের আচরন? আর এই হচ্ছে আপনার সততা আর অভিরুচির নমুনা।

আমি অবশ্য একটা ব্যাপারে নিশ্চিত নই যে, আমাকে আপনি ব্লক করে রেখে, আমার ছবি কিভাবে পেলেন? আর ছবি যদি ধরা যাক পেলেনই, কিন্তু ব্লক করে রেখে আমাকে পালটা উত্তরের সুযোগ না দিয়ে আমার ব্যাপারে বিষেদাগার করাটা ঠিক কতটুকু ব্রেইভ কর্মকান্ড, এটাও বুঝবার দরকার আছে। জানিনা আপনার রুচির এটা কেমন প্রকাশ। যে মানুষকে আপনি ফেসবুকে ব্লক করে রেখেছেন, তার ছবি নিয়ে ক্রপ করে আবার নোংরামি করছেন। পুরো ব্যাপারটি একটির সাথে আরেকটি মেলে না। একজন ৫০-৫২ বছরের বয়ষ্ক মানুষ ঠিক কি করে এই টাইপ কাজ কর্ম করতে পারে, ভেবে অবাক হই।

তৃতীয়তঃ

আপনি এই পোস্টেও আমাকে সিপি গ্যাং এর সদস্য বলে অভিযোগ করেছেন এবং আপনার এই বক্তব্যের পেছনে আই সি সি এস এফ এর বিবৃতির রেফারেন্স টেনেছেন। আপনি আপনার বলা বক্তব্যে আই সি সি এস এফ এর সেই বিবৃতি এখানে দেখাতে পারেন নি। ইনফ্যাক্ট তারা এমন কথা বলেছে কিনা, আমারও জানা নেই। আপনি এমন অ-প্রদর্শিত ভাবে আমাকে চট করে একটা অভিধা দিয়ে, অভিযোগ তুলে অনলাইনের আরামদায়ক আড়ালে বলছেন অভিযোগ খন্ডাতে।

আপনি নিজেই আসলে প্রমাণ করেছেন যে অনলাইনে অভিযোগের স্বরূপ কতটা পটকা, কতটা সহজ। আপনি এও প্রমাণ করে দিয়েছেন যে অনলাইনে আপনার মত এমন হালকা ব্যাক্তিদের অভিযোগ আসলে কেমন, আর সেগুলো কি আসলেই উত্তর দেয়া উচিত কিংবা উচিত নয়। আপনার একটা অভিযোগও শেষ পর্যন্ত টিকলো না।

চতূর্থতঃ

আপনি বার বারই আই সি এস এফ এর অভিযোগের ব্যাপারে আমাকে খন্ডাতে তাগাদা দিচ্ছেন।কেন দিচ্ছেন, কি কারনে দিচ্ছেন, কোন উদ্দেশ্যে দিচ্ছেন আমার জানা নেই। আমি উত্তর দিলে আপনার কি কিংবা না দিলেই বা আপনার কি? আপনার আসলের কি এসে যায়? যেখানে আপনি নিজেই বলছেন যে আমি নাকি কি “ভন্ডামী” করেছি আর সে কারনে আপনি আমাকে ফেসবুক থেকে ব্লক করেছেন। সেক্ষেত্রে আমি ধরে নিতেই পারি আপনি আমার ব্যাপারে আগ্রহী নন কিংবা কৌতূহলী নন। কিন্তু আদতে তা নয়, আপনি আমার ব্যাপারে তীব্র কৌতূহল পুষে রেখে আমার পোস্ট দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। আপনি হাহাকার করে উত্তর চাইছেন, লাফ দিচ্ছেন, ঝাঁপ দিচ্ছেন। যেন মুক্তমনার এক পোস্টে বিপ্লবী ঝান্ডা উঁচিয়ে ধরবে। আর ব্যাপারটা এমনও নয় যে আমার উত্তর পড়ে আপনি আমার কথা বিশ্বাস করে বসবেন। আপনি একটা সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েই আমার ব্যাপারে আক্রোশে মেতেছেন, সুতরাং নিউট্রালি চিন্তা করবার ক্ষমতা আপনার নেই।

এই সি এস এফ এর সাথে আমার কি হয়েছে, সমস্যা কোথায়, ঘটনা কি, সমস্যার সূত্রপাত কিভাবে হোলো, কোথায় হোলো এসবের কিছুই না জেনে ঝাপাঁঝাপি করছেন সেই সকাল থেকে। আপনার মন্তব্য গুলো পড়ে হাসি চেপে রাখা দায়। ৫০-৫২ বছরের একটা বয়ষ্ক লোক, একটা ঘটনা সম্পর্কে জানেই না, যতটুকু জানে সেটি একটি অনলাইন গ্রুপের একটা পোস্ট পড়ে। আর তাতেই করে যা মনে হয়েছে, সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। কতটা ভেইগ আর আন-রিজেনেবল, ভাবতেই আশ্চর্য হই। এই জাতীয় জাজমেন্টাল চিন্তা ভাবনা নিয়ে আপনি কি করে সাংবাদিকতা লাইনে টিকে আছেন (আদৌ আছেন কিনা কে জানে..) এটাই ভাবি।

আমি মুক্তমনাতে আমার রিবাটাল দিতে চাইনি কিংবা কোনো পাব্লিক ব্লগে কোনো রিবাটাল দিতে চাইনি কয়েকটি সুনির্দিষ্ট কারনে।

(১) আমি যেই রিবাটাল দেব, সেখানে প্রচুর ব্যাক্তিগত ফেসবুক মেসেজ, ইমেইল, ছবি, তথ্য-প্রমাণ ব্যবহার হবে। এসব বিষয়ে কেউ অভিযোগ জানালে যে কোনো ব্লগ সেগুলো কনসিডার করতে পারে এবং পরবর্তীতে আমার সেই ব্লগ মুছে দিতে পারে। এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

(২) ব্লগগুলো মডারেটেড। আমার যত শুভাকাংখী, বন্ধু, বান্ধব, পাঠক-পাঠিকা, শুভানুধ্যায়ী, হেইটার রয়েছেন তাদের সকলেই যে মন্তব্য করতে পারবেন কিংবা আলোচনায় যোগ দিতে পারবেন তেমন সুযোগ কিন্তু নেই। আর মন্তব্য দিতে পারলেও সেটি মডারেশনের মধ্য দিয়ে আসবে। সুতরাং এসব কথা বিবেচনা করেও আমি মুক্তমনা বা পাব্লিক ব্লগে দেইনি।

(৩) আই সি এস এফ নিয়ে আমার চূড়ান্ত অনাগ্রহের কথা আমি তো আগে বলেছি-ই প্লাস তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ-ও মনে করিনি। [উপরের ১ ও ২ নাম্বার ভাবনাগুলো তারপরেও করেছি যদি লেখা দেই, সেটি কোথায় হতে পারে এমনটা ভেবে]

আপনি শুধুমাত্র কোনো এক অজানা আক্রোশে আমার পেছনে লেগে আছেন। একটা মোছওয়ালা,ক্যাপ ওয়াল চাচার বয়সী বয়স্ক লোক আমার পেছনে আঠার মত সারাদিন লেগে আছে, আমার ছবি কেটে ক্রপ করে ট্রল করছে ভাবতেই কোথায় যেন বেশ গা ঘিন ঘিনে একটা ব্যাপার রয়েছে।

আপনি আপনার ফেসবুকে একবার একটা ছবি আপলোডও করেছিলেন কোথাও। যেখানে একটা স্ক্রিন শর্টে দেখা যাচ্ছে আমার নাম এবং সেখানে আপনার সম্পর্কে একটা মন্তব্য। আমাকে যিনি এই স্ক্রীন শর্ট টি দিয়েছিলেন আমি তাঁকে সেদিনি ফোনে বলেছিলাম যে এই ধরনের কোনো মন্তব্য আমি বিপ্লব রহমানকে নিয়ে করিনি। আমার নামের মতই নাম বটে, তবে সেটি আমি নই। ইনফ্যাক্ট সেটি কোন সাইটের তাও আমি জানিনা। আপনি যদি আমার নাম ওয়ালা সেই মন্তব্যটির লেখককে এই আমি “নিঝুম মজুমদার” মনে করে থাকেন, তবে আপনি ভুল করছেন। জাস্ট জানিয়ে রাখলাম, ইন কেইস…

capwala-biplob

আমি জানিনা জনাব রহমান আমার প্রতি কেন এত আক্রোশে আক্রান্ত। যদি সেটি ব্যাক্তিগত হয়ে থাকে তবে আমি নিশ্চিত কোথাও ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে। জনাব রহমানকে আর্মিরা ধরে নিয়ে যাবার পর আমি আমার দূর্বল হাতে, দূর্বল প্লটে বিলব রহমানকে নিয়ে, তাঁকে উৎসর্গ করে একটি গল্পও লিখেছিলাম।

যাই হোক-

আপনার এত কৌতূহল, এত প্রশ্নের জবাবে শুধু জাস্ট কয়েকটা প্রমাণ ও বয়ান দিচ্ছি আমি আজকে। খুব সম্ভবত এই বিষয়ে অনলাইনে এটাই প্রথম।

(১) আই সি এস এফ-এ আমি কখনই ফর্মাল ভাবে যুক্ত ছিলাম না। আমার সাথে তাদের কোনো কন্ট্রাক্ট নেই। না সেটি জব কন্ট্রাক্ট, না ভলান্টারী ওয়ার্কার হিসেবে কন্ট্রাক্ট। ফর্মাল কিছুই নেই।

(২) আই সি এস এফ এর কোনো লিখিত নীতি মালা নেই। নেই কোনো গঠনতন্ত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নীতিমালা, তাদের সাংগঠনিক নীতিমালা ইত্যাদি। যদি থেকেও থাকে তারপরেও এসব নিয়ে আমাকে কখনো বলা হয়নি কিংবা আমাকে জানানো হয়নি কিংবা আমাকে দেয়াও হয়নি। সেটা ওরালি, লিখিত বা যে কোনো উপায়েই। আমি আমার মত লিখে গেছি। মাঝে মধ্যে এদের কয়েকটা প্রোটেস্টে গেছি আর কিছু স্কাইপি মিটিং।

(৩) আমি আই সি এস এফ এর সাথে ছিলাম, অনেকটা “এই আছি আর কি টাইপের”। অনেকে ফেসবুকে তাদের জবের যায়গায় বা কি করছে এমন যায়গায় আই সি এস এফ ব্যবহার করলেও আমি কোনোদিনি সেসব করিনি, কিংবা আমার ইচ্ছেও হয়নি।

উপরে বলা এসব তথ্যের ভিত্তিতে আমি ঠিক নিশ্চিত নই যে, যারা নিজেদের একটা আইনী সংগঠন হিসেবে দাবী করে, তারা ঠিক কি উপায়ে আমাকে বহিষ্কার করেছে? কেমন করে করেছে?

(১) বহিষ্কারের কোনো আলচোনাই হয়নি তখন।

(২) তাদের ব্লগ পোস্টে বলা তাদের সেই কথিত “কোর গ্রপের” কোনো রকমের ইমেইল পাইনি, তাদের সিদ্ধান্তের কথাও আমাকে জানানো হয়নি, মৌখিক ভাবেও কিছু জানানো হয়নি, সরাসরি ফোনেও কিছু বলা হয়নি। সিম্পলি নাথিং।

(২) আমার সাথে তাদের আলোচনার অনুরোধ আমি নিজেই প্রত্যাখ্যান করে আলাদা থেকেছি। এদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছি।

আপনি তাদের পোস্টে গেলে লক্ষ্য করবেন যে উনারা বলছে যে আমাকে নাকি ২০১৩ সালের ২৮ শে ফেব্রুয়ারী বহিষ্কার করেছে। মিথ্যাচার ও অভব্যতা ঠিক যেই লেভেলে গেলে আসলে আশ্চর্য হতেও আশ্চর্য লাগে এরা ঠিক সেই যায়গায় গিয়েছে।

২৮ তারিখ ২০১৩ সালে ছিলো সাঈদীর রায়। অথচ ঐ তারিখেই আমাকে যুক্ত করে এই সংগঠনটি ফেসবুকে একটা মেসেজ থ্রেড খোলে এবং ঐদিন ধার্য হওয়া লন্ডন এমনেস্টি ইন্টার ন্যশনাল এর সামনে একটি প্রটেস্টের ব্যাপারে কথা হয়।

২৮ তারিখেই নাকি আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, আবার ২৮ তারিখেই আমাকে মেসেজ থ্রেডে রেখে আসিসিএফের গোপন আলাপ? এটা কিভাবে সম্ভব? আইসসিসেফে চ্যালেঞ্জ করলে এই ব্যাপারে যথেষ্ঠ স্ক্রীনশর্ট রয়েছে আমার কাছে দেবার জন্য।

পহেলা মার্চ ২০১৩ সালে আমি হঠাৎ করেই আবিষ্কার করি আমি আই সি এস এফ’র যে গোপন পেইজ টি “প্লেনারি গ্রুপ” রয়েছে সেটিতে আর নেই। ব্যাপারটি আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে অবাক করে এবং আমি এই সংগঠনের একজন ব্যাক্তির কাছে ব্যাপারটি জানতে চাই। সাথে সাথে উত্তর না পেলেও আমি এই গ্রুপেরই আরো একজন সদস্যের মাধ্যমে জানতে পারি যে, আমার নাম রয়েছে এমন একটি মেসেজ এর স্ক্রীন শট প্লেনারি গ্রুপে শেয়ার করা হয়েছে আই সি এস এফ এর-ই একজন সদস্যের মারফত এবং আমার অনুপস্থিতিতে আমার নাম জুড়ে এমন শেয়ার করাটা আমাকে বেশ পীড়া দেয়। এই স্ক্রীনশটট শেয়ারটি খুব একটা ভালো অর্থ বহন করে শেয়ার করা হয়নি বলেই আমি বুঝতে পারি এবং এই শেয়ারের প্রেক্ষিতে আমার বক্তব্যও আমি দিতে পারছিলাম না, কেননা সেখানে আমার এক্সেস ছিলো না। যেই স্ক্রীন শট টি শেয়ার করা হয়েছে এটি একটি ইন্টারনাল মেসেজ থ্রেডের অংশ। যিনি এটি ওই শেয়ারকারীকে দিয়েছেন বলে আমি জানতে পারি [যিনি দিয়েছেন তিনিই আমাকে জানিয়েছিলেন]

কি সেই মেসেজ থ্রেড? কে পাঠিয়েছিলেন সেই মেসেজ

আমার ফেসবুকে আমি একটি মেসেজ পাই মার্চের ১ তারিখে। এই মেসেজে আই সি এস এফ এর আমি সহ আরো একজন সদস্য সহ মোট ১৫-১৮ জনকে নিয়ে একটি গ্রুপ মেসেজ আমি পাই। এই মেসেজটি পাঠিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য গণজাগরণ মঞ্চ থেকে।

আমি এই থ্রেডে নিজেকে নিজে যুক্ত করিনি। যারা যুক্ত করেছিলেন তারা আমাকে করেছিলেন নিজের ইচ্ছাতে এবং এমন অসংখ্য দলীয় নানাবিধ মেজেস আমি সপ্তাহে শতাধিকবার পাই। যেহেতু আমি তখনও গন জাগরন মঞ্চ যুক্তরাজ্যের কর্মী ছিলাম না এবং আই সি এস এফ এর প্রতি কমিটেড ছিলাম সেহেতু সেই থ্রেড থেকে নিজেকে সরিয়ে নেই কিছুক্ষণের মধ্যেই। আমি আসলেই এই মেসেজ বিষয়ে কোনো আলোচনাতে অংশ নিয়ে অনাগ্রহী ছিলাম। এটি ছাড়াও বিভিন্ন সময়েও আমি আই সি এস এফ কে নিয়ে এমন আলোচনা কিংবা সমালোচনার মুখে অনেকবার পড়েছিলাম যেগুলোতে কোনো অংশগ্রহন না করেই আমি সরে এসেছি পুরো ব্যাপারটিতে গা না লাগিয়ে। এর কিছুক্ষণ পরেই এই মেসেজ থ্রেডের একটি স্ক্রীন শট আই সি এস এফ এর গোপন গ্রুপে শেয়ার্ড হয় ICSF এর একজন সদস্যের মাধ্যমে এবং খুব সম্ভবত তার কিছুক্ষণ পরে বা আগে [আমি নিশ্চিত না] আমাকে এই গ্রুপ থেকে ডিলিট করা হয়।

স্বাভাবিক ভাবেই আমি উক্ত সদস্যের কাছে (রায়হান রশীদ) ফেসবুক মেসেজে এই ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চাই যেহেতু আমার জানা ছিলো এই সংগঠনের বেশীর ভাগ ব্যাপার সম্পর্কে তিনি ওয়াকিবহাল এবং তিনিই এই সংগঠনের হর্তা কর্তা। আমার ফেসবুক মেসেজের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে “তারা হয়ত কখনো আমার বড় একটি ক্ষতি করে ফেলেছিলো এবং সে কারনেই আজকে আমি এটা করেছি”

আমাকে কখনই বিস্তারিত ভাবে কিছুই জানানো হয়নি যে কি হয়েছে বা হচ্ছে।

আমি তার এমন বক্তব্যে খুবই অবাক হই এবং সত্যি কথা বলতে আই সি এস এফ নিয়ে কথা বলবার আর কোনো আগ্রহ-ই পাইনা। মোটামুটি এই সংগঠনটি নিয়ে আমার সব ইচ্ছেই আসলে নিভে যায়। আমি পুরোপুরি চুপ মেরে যাই ব্যাপারটিতে।

ঠিক একই সময় আমি আই সি এস এফ এর উল্লেখিত ব্যাক্তির ব্যক্তিগত অনুরোধও পাই ফেসবুকে। যেখানে তিনি আমাকে সামনে এসে কথা বলতে বিনীত অনুরোধ করেছেন এবং তিনি আপ্সেট হয়ে যাওয়াতে তিনি আমাকে আই সি এস এফ এর গ্রুপ থেকে ডিলিট করেছেন বলেও জানান।

আমাকে কোনো রকমের সুযোগ না দিয়ে, না জানিয়ে প্লেনারি গ্রুপ থেকে ডিলিট করবার কয়েকদিন পর এই জাতীয় অনুরোধ আমার কাছে খুব বেশী অপমানকর মনে হয় এবং আত্নসম্মানের কথা চিন্তা করেই আমি সেই ব্যাক্তিকে বিনীত ভাবে এই অনুরোধ ফিরিয়ে দেই।

আই সি এস এফ তাদের ব্লগে বলছে যে তারা আমাকে ২৮ তারিখে নাকি তাদের কোর গ্রুপ্রের সদস্যদের সকলের সম্মতিতে বহিষ্কার করেছে। প্রথমত, এই সি এস এফ এর সাথে আমার এমন কোন সম্পর্কই ছিলোনা (ভলান্টিয়ার হিসেবে) যেখানে ফরমালি বা ইনফরমালি বহিষ্কারের ইস্যুটা আসতে পারে। সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে, যদি বহিষ্কারের ব্যাপারটি যুক্তির খাতিরে আমি ধরেও নেই, তারপরেও আমাকে সেই তথাকথিত কোর গ্রুপের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। না সেটি ইমেলে, না ফোনে, না সামনাসামনি। আমাকে জাস্ট ফেসবুকের একটা গ্রুপ থেকে সরানো হয়েছে আমাকে আমার পক্ষে বলবার সুযোগ ছাড়া। পুরো ব্যাপারটি আমার জন্য ছিলো একেবারেই বিষ্ময়ের ও অদ্ভুত!! সে কারনেই আমি এই সংগঠনের রায়হান রশীদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে কি হচ্ছে বা কেন হচ্ছে?

লক্ষ্য করে দেখুন যে রায়হান রশীদ আমাকে আবার কথা বলবার অনুরোধ করছেন সবার সামনে এসে আর আমি সে অনুরোধ অত্যন্ত বিনয়ের সাথে প্রত্যাখ্যান করেছিলাম।

আমাকে না জানিয়ে গ্রুপ থেকে ডিলিট, আবার দুদিন পর আমাকে কথা বলবার অনুরোধ আবার দেড় বছর পর বহিষ্কারের নাটক।

আমি বরাবরই, আই সি এস এফ এর এমন আচরনের ব্যাপারে বিষ্মিত হয়েছি। ২৮ তারিখেই আমাকে আই সি এস এফ এর সদস্যারা মেসেজ থ্রেডে যুক্ত করে নানাবিধ আলাপ জুড়িয়ে দিয়েছিলো, আবার সেদিনই নাকি আমাকে বহিষ্কার করেছিলো। অথচ ঠিক আগের দিন ২৭ তারিখে রায়হানের সাথে সাঈদীর রায় নিয়েও আমি কথা বলেছি। আমাদের চিন্তার কথা শেয়ার করেছি। গন জাগরন মঞ্চের সাথে একটা সমস্যার কারনে (এমনেস্টি ইন্টারন্যশ্নালের সামনে প্রটেস্ট বিষয়ে) রায়হান এবং আহমেদ জিয়াউদ্দিন এর সাথে আলাপ করে ২৭ ফেব্রুয়ারী রাতে আমি আমার বাসায় ইউকে গন জাগরন মঞ্চের কর্মীদের সাথে বসি এবং আলাপ করি। আর এখন তারা বলছে পরদিন-ই নাকি আমাকে বহিষ্কার করেছে।

বহিষ্কারের অথরিটি কার আছে কিংবা না আছে, সেসব তো বাদই দিলাম। আমাকে যে বহিষ্কার করা হয়েছে এটাই তো আমি জানতাম না। আর যদিও করেও থাকে তাহলে আমাকে কথা বলার সুযোগ না দিয়েই যখন এক তরফা এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হোলো, সেটাই বা কতটুকু প্রোপোরশনেট হয়েছিলো?

আমার বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থাকে তাহলে তো একটা সংগঠন হিসেবে তারা আমাকে ফরমালি সেটা জানাবে। ইনফ্যাক্ট ফরমালি না হলেও, ইনফরমালিও আমাকে জানাতে পারত। এটাতো আমার একটা বেসিক অধিকার। আইন নিয়ে নাকি এরা কাজ করে, অথচ একজন ব্যাক্তির বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে এসে, তাকে জানাবার প্রোয়োজনও বোধ করেনি, ব্যাক্তিকে নিজের অবস্থান নিয়ে বলবার সুস্পস্ট সময় বা সুযোগও দেয়া হয়নি সিদ্ধান্তের আগে। এমন একটা ইর‍্যাশনাল সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার সেটি ব্লগ পোস্ট দিয়ে নির্লজ্জের মত বলছে এটা কেবল অবাক বিষ্ময়ের ছাড়া আর কিছুই নয়।

সমস্যার শুরু এমনেস্টির সামনে প্রোটেস্ট নিয়ে

একটা প্রোটেস্টের আয়োজন করা হয় এমনেস্টি ইন্টারন্যশনাল এর সামনে। তারিখ নির্ধারিত হয় ২৮ শে ফেব্রুয়ারী বিকেল ৩ টা থেকে ৫টা। আমি এই ব্যাপারে খুব একটা বেশী না জানতে পারলেও একটা খবর আমার কানে এসে পৌঁছায় যে এই প্রোটেস্ট নিয়ে খানিকটা সমস্যা তৈরী হয়েছে। সে সমস্যা হোলো আই সি এস এফ চাচ্ছে ও বলছে যে এই অনুষ্ঠানে আই সি এস এফ এর ব্যানার থাকবে, তাদের নাম সবখানে যেতে হবে, তাদের নামেই এই অনুষ্ঠান হয়েছে এমনটা প্রচার করতে হবে, প্ল্যাকার্ড থাকবে কিন্তু সে সময় গন জাগরন মঞ্চ যুক্তরাজ্য চাচ্ছিলো এই প্রোটেস্ট এরকম ব্যানারের অধীনে হলে তারা মানবে না বরং সেটি হতে হবে “বাংলাদেশী’স ইন ইউ কে” এই ভাবে।

স্বাভাবিকভাবেই দুইটি পক্ষের মনোমালিন্য শুরু হয়। ব্যাপারটা আমার ভালো লাগেনি এবং আমি ২৭ তারিখ আই সি এস এফ এর একটা মিটিং একাধিক সদস্যের উপস্থিতিতে উনাদের কাছে জানতে চাই যে আমি কি এখানে একজন মেডিয়েটর এর ভূমিকা নিতে পারি কিনা কিংবা মঞ্চের সাথে আমি কি বসতে পারি কিনা। কেননা আমার ভেতরে একটা বিশ্বাস ছিলো এই ইয়াং গ্রুপের ছেলে-মেয়েরা আমাকে শ্রদ্ধা করে এবং আমি যদি মাঝখানে এসে এদের বোঝাই তবে হয়ত চলমান মনোমালিণ্য থেকে আমরা সরে আসতে পারব। সে অনুযায়ীই আমরা সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে এই গ্রুপটির সাথে আমি বসব আমার বাসায় ২৭ তারিখ রাত ১১ টায়। [যদিও প্রথমে আমার ইফতেখারের বাসায় যাওয়ার কথা ছিলো। আমার ছেলের শরীরটা খারাপ দেখে আমি ওদেরই আসতে বলি]

ওরা যথারীতি আমার বাসায় আসে তবে একটু দেরী হয়ে যায়। খুব সম্ভবত তখন রাত ১২ টারও উপর বেজে গিয়েছিলো। আমি যখন ওদের সাথে নেগোশিয়েশানে ব্যাস্ত এবং বুঝাবার চেষ্টা চালাচ্ছি ঠিক সে সময় আই সি এস এফ এর রায়হান যিনি জানেন আমি মঞ্চের সাথে মিটিং করছি তার একটা অবিবেচক মেসেজ ঐ গ্রুপের কয়েকজন পায় যেখানে জানানো হচ্ছে আগামী কালের প্রোটেস্টের কথা সবাইকে আসবার আহবান জানিয়ে এবং সেখানে আয়োজক হিসেবে আই সি এস এফ এবং এদেশের বসবাসরত প্রবাসীদের কথা বলা হচ্ছে।

যেখানে আলোচনা চলছে এবং এখনো কোন ফলাফল আসেনি প্লাস আমি ফর্মালি এই মিটিং এর আউটকাম তখনো আই সি এস এফ কে জানাইনি ঠিক সে সময় সেই ব্যাক্তির এই টেক্সট এই পুরো গ্রুপকেই বিগড়ে দেয় এবং সেক্ষেত্রে এই গ্রুপের সকলেই মনে করেন যে এখানে আলোচনা চালিয়ে যাওয়াটা একেবারেই অর্থহীন। আমি শেষ পর্যন্ত খানিকটা বিরক্ত হই এবং কিছুটা অসম্মানিতও বোধ করি। পরে এই গ্রুপটি আমার বাসা থেকে চলে গেলে রাত প্রায় পোনে চারটার দিকে উক্ত ব্যাক্তির সাথে আমার কথা হয় এবং তাকে বলি যে আমি মঞ্চের কর্মীদের কনভিন্সড করতে পারিনি এবং তার মেসেজ নিয়েও আমি আমার তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করি।

যাই হোক পরদিন সাঈদীর রায় পেয়ে সবাই এমনিতেই আনন্দিত। আমিও ঘুম থেকে উঠে প্রোটেস্টে যাবার জন্য তৈরী হচ্ছিলাম কিন্তু কিছু পারিবারিক কারনে আমার আর যাওয়া হয়নি প্রটেস্টে।

বিকেল প্রায় ৪ টা বা সাড়ে চারটার দিকে রায়হান রশীদ আমাকে ফোন দিয়ে জানতে চায় যে আমি কেন সেদিনের প্রটেস্টে যাইনি। আমি তখন তাকে আমার পারিবারিক সমস্যার কথা জানাই এবং তিনি পরক্ষনেই আমাকে যা বলেন তার জন্য আমি মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। তিনি আমাকে বললেন, ” এই কাজটা তোমার নির্দেশেই হইসে, তাইনা নিঝুম?”

কোন কাজটা কিংবা কি কাজটা এসবের কিছুই না জানিয়ে তিনি সিনেমার ডায়ালগের মত আমাকে অমন কথা বললেন। আমি উনাকে জিজ্ঞস করলাম এবং বললাম, যে আপনার কথা আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। কি হয়েছে?

উনি “বাদ দাও” বলে ফোন রেখে দিলেন।

পরে মঞ্চের কর্মীদের কাছ থেকে আমি শুনেছি যে সেদিন প্রোটেস্টে আই সি এস এফ তাদের নাম সম্বলিত একটা ব্যানার নিয়ে এসেছিলো কয়েকজন মেম্বার নিয়ে এবং মঞ্চের কর্মীরা ব্যানার নিয়ে না দাঁড়াতে বার বার অনুরোধ করছিলো। তারা বলছিলো যে এই পার্টিকুলার প্রোটেস্ট সাধারণ মানুষের প্রোটেস্ট, এখানে কোন দলীয় ব্যানার রাখা যাবেনা। আই সি এস এফ এই কথা না শুনে ব্যানার নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলে মঞ্চের কয়েকজন সদস্য ওদের হাত থেকে ব্যানার কেড়ে নিয়ে ডস্ট বিনে ফেলে দেয় এবং সমস্যার সূত্রপাত হয় তখন থেকেই।

এই প্রোটেস্টে আমার না যাওয়া, ব্যানার ছুঁড়ে ফেলে দেয়া, আগের রাতে মঞ্চের কর্মীদের সাথে আমার বৈঠক ( আহমেদ জিয়াউদ্দিন আর রায়হানের সাথে কথা বলেই), মঞ্চের মেসেজ থ্রেডে আমাকে অন্তর্ভুক্তি (যদি এই সি এস এফ এর আরেকজন সদস্য সেই থ্রেডে ছিলো) সব মিলিয়ে রায়হান শেষ পর্যন্ত মনে করে আই সি এস এফ এর ব্যানার ছুঁড়ে ফেলবার পেছনে আমার হাত রয়েছে। ব্যাস তার পর পরই তারা ক্রমাগত দুইইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে থাকে। নিজেরা নিজেদের মত ভাবতে থাকে, সিদ্ধান্ত নিতে থাকে এবং আমাকে তাদের ফেসবুকের প্লেনারি গ্রুপ থেকে ডিলিট করে দেয়। তারপর আমাকে দুই তিনদিন পর আবার তাদের সাথে কথা বলবার অনুরোধ করে এবং আমি সেটি প্রত্যাখ্যান করি।

এই হচ্ছে সে সময়কার প্রাথমিক ঘটনা। তারপর সেই তারিখ থেকে আরো অসংখ্য ঘটনা ঘটতে থাকে। আর সেটা ব্যাক্তি পর্যায়ে। সংগঠনের সাথে নয়।

আই সি এস এফ একটা অভিযোগ করেছে এই বলে যে, আমি নাকি তাদের নাম ব্যবহার করেছি ২৮ শে ফেব্রুয়ারী ২০১৩ এর ওই ঘটনার পর। এই পুরো অভিযোগটিও মিথ্যে। ২০১৪ সালের জুলাইয়ের কোনো এক তারিখে আমি উন্মোচন ডট কম নামে একটি পত্রিকায় একটা লেখা লিখি। তো আগেই যেহেতু এই পত্রিকায় লিখতাম আর পত্রিকার সম্পাদক আবু মুস্তাফিজ ভাই আই সি এস এফ এর সাথে আমার বিচ্ছিন্নতার কথা জানতেন না। তিনি আমার কলামের নীচে আমার পরিচয়ের পর পর আমাকে আই সি এস এফ এর একজন এক্টিভিস্ট হিসেবে পরিচয় দেন। আমি এটি দেখবার পর পরই তাকে সেটি জানাই এবং তিনি সেটি পরে মুছেও দেন। যদি আই সি এস এফ এই ঘটনাকে রেফার করে বলে থাকে যে আমি তাদের নাম ব্যবহার করেছি তাহলে পুরো ব্যাপারটাই নির্লজ্জ মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।

এগুলোর ধারাবাহিক পর্যায়ে ২০১৪ এর জুলাই এর ২৩ তারিখে আই সি এস এফ এই ব্লগ লেখে আমাকে শায়েস্তা করবার একটা উপায় হিসেবে। এই হোলো ঘটনার সার সংক্ষেপ। বিস্তারিত আরো অনেক বড়। আরো তথ্য আছে, উপাত্ত আছে, ছোট ছোট ইস্যু আছে, মন কষাকষির ব্যাপার আছে।

আমি কখনই এই ইস্যু গুলো পাব্লিকলি আনিনি। আগেই বলেছি একেবারেই ব্যাক্তিগত অনীহা থেকে। আজকে এত কথন, এত কিছুর পর সামান্য কিছু বলেছি মাত্র। যখন বিস্তারিত লিখব তখন আরো

Facebook Comments

Comments

comments

SHARE
Previous articleMir Quasem's apologist Ghamdi and his sins
Next articleICSF এর কাল্পনিক বহিষ্কার প্রসঙ্গে
উপরের প্রকাশিত লেখাটি আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনার ফলাফল। লেখাটি আপনার ভালো নাও লাগতে পারে, পছন্দ না-ও হতে পারে। আমার সাথে হয়ত আপনি একমত হবেন না কিন্তু আমি ধন্যবাদ জানাই আপনি এই সাইটে এসেছেন, আমার লেখাটি কষ্ট করে পড়েছেন আপনার সময় ব্যয় করে, এটিও পরম পাওয়া। সবার মতামত এক হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। দ্বিমত থাকবে, তৃতীয় মত থাকবে কিংবা তারও বেশী মতামত থাকবে আবার সেটির পাল্টা মতামত থাকবে আর এইভাবেই মানুষ শেষ পর্যন্ত তাঁর নিজের চিন্তাকে খুঁজে ফেরে নিরন্তর। আর লেখাটি ভালো লাগলে কিংবা আপনার মতের সাথে দ্বন্দ্বের তৈরী না করলে সেটি আমার জন্য বড় সৌভাগ্য। আমি সেটির জন্য আনন্দিত। আপনাদের উৎসাহে, ভালোবাসাতে আর স্নেহেই এই লেখালেখির জগতে আসা। "নিঝুম মজুমদার" পাঠ শুভ হোক, আনন্দের হোক, এই চাওয়া। আপনার এবং আপনাদের মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি সব সময়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY