কৃষ্ণচূড়া

0
799

উৎসর্গঃ তানিম। প্রিয় বন্ধুবরেষু।

এক.

রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে প্রচন্ড রকম পানির তৃষ্ণা হয় । বুক ফেটে যাবার মত সুতীব্র একটা যন্ত্রণা। বিছানা থেকে উঠে রান্না ঘরে যে যাব তাতেই খুব আলসেমি লাগে। এজন্য বেশীর ভাগ সময়ই টেবিলে একটা জগ আর গ্লাস রেখে দেই। কাল রাতে রাখা হয় নি । উঠে যে যাব তারও উপায় নেই। পুরো ঘর জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এই ধরনের তীব্র অন্ধকারে আমার খুব ভয় হয়। আমাদের ড্রেপার্স স্ট্রীটে সাধারণত এমন অন্ধকার থাকে না। আমার জানালা থেকে খানিকটা দূরে ছোট পাব টার ঠিক সামনে বড় একটি নিয়ন বাতি সারারাত জ্বল জ্বল করে। ঘরের আলো বন্ধ করে দিলেও রাস্তার নিয়ন আলোটাতে সারারাত আলোকিত হয়ে থাকে ।মাঝে মাঝে দু’একটা গাড়ী হুস্ করে চলে গেলে এক মুহূর্তের জন্য একটু আলোর দেখা মেলে । তারপর আরো অন্ধকার। আর তাছাড়া আকাশ পরিষ্কার থাকলে চাঁদ না হয় তারা একটা না একটা থাকেই । গতকাল ইলেক্ট্রিসিটি কিনতে ভুলে গিয়েছিলাম। ইমার্জেন্সিও মনে হয় শেষ হয়ে গেছে । পাশের কিওস্কটাও বন্ধ হয়ে যাবার কথা। কোথায় যেন খুট খাট শব্দ হচ্ছে । রাত হয়ে গেলেই এই এক সমস্যা। চারিদিক থেকে নানান ধরনের শব্দ । দিনের বেলায় এই শব্দ গুলো সম্ভবত রাত হবার জন্য অপেক্ষা করে। রাতের এই অজানা শব্দ গুলোর সম্ভবত কোনো সম্মোহনী ক্ষমতা আছে । চাইলেও কান থেকে যেতে চায় না। একদিক থেকে ভালই । রাতের নিস্তব্ধতা বলে যে ব্যাপারটা আছে তা নিমিষেই হারিয়ে যায়। ঘরে আমি ছাড়া আর দ্বিতীয় কোন মানুষ থাকবার কথা না।সুতরাং শব্দ কোথথকে আসছে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। খুব স্পষ্ট একটা শব্দ। মাথা তুলে যে উঠব সে উপায় নেই। মাথায় অসম্ভব যন্ত্রণা হচ্ছে। ভোঁতা ধরনের যন্ত্রণা।

সেল ফোন টা অন করলে হয়ত কিছুটা আলোর দেখা পেতে পারি। তাও অন করতে ইচ্ছা করছে না। অন করলেই দুনিয়ার সব ঝামেলা এসে একসাথে হবে। কয়দিন ধরে বন্ধ আছে সেলটা? পনেরো দিন তো হবেই । এরি মধ্যে নিশ্চয়ই দেশ থেকে গোটা বিশেক মেসেজ আসবার কথা। ভুল উচ্চারনে ছোটচাচার ভয়েস মেল থাকবার কথা। “ বাবা রাশেদ, আর্ঝেন্ট দরকার , ফোন করিও ।” চাচার “আর্ঝেন্ট” শব্দটা শুনলে মনে হতে পারে কয়েক মিনিটের মধ্যে ফোন না করলে তিনি হয়ত মারা যাবেন । এজন্য প্রথম দিকে সাথে সাথেই ফোন করতাম। এখন আর করি না । এক মাস পরে করলে যে কথা একদিন পরে করলেও সে একই কথা। চাচার প্রয়োজন মানেই হচ্ছে কিছু পাউন্ড পাঠানোর কথা। ব্যাবসা করবেন। গত আট বছরে তিনি অনেক ধরনের ব্যাবসা করলেন। একবার করলেন ফোন ফ্যাক্সের ব্যাবসা। সেটা নাকি সেসময় হট কেক। চাচার ভাষ্য অনুযায়ী, “বুঝলা বাবা? পাবলিকের কাজ হইলো কথা বলা। সে তো তা বলবেই। তুমি আটকাইবা কেমনে? যে যুগ পরসে , তাতে অলিতে গলিতে প্রেম পিরিতি। পোলাপান তো বাসায় কথা বলতে পারে না। ” আমার এধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত ফোনের এপাশ থেকে খুব নিরব একটা দীর্ঘঃ শ্বাস ফেলা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না।

চাচার কাছে আমাদের কিছুটা ঋণও আছে। আমার বাবা–মা বছর বিশেক আগে একটা রোড এক্সিডেন্টে মারা যান। আমার আর আমার ছোট বোনের বয়স তখন অনেক কম। ছোট চাচার কাছেই আমাদের বেড়ে উঠা। চাচার কোন সন্তান ছিল না। এই নিয়ে চাচাকে আমি কোনদিন দুঃখিত হতেও দেখিনি। আমার ধারনা ছিল টাকা-পয়সার চিন্তা ছাড়া চাচা আর কিছুই চিন্তা করতে পারেন না । আমার ছোট বোন প্রিয়তি কে যেদিন তার শ্বশুর বাড়ীতে তুলে দিলাম আমার কাছে কেন জানি পৃথিবীর সব ধরনের দায়িত্ব থেকে মুক্ত মনে হয়েছিলো। সবাইকে খুব অবাক করে দিয়ে ছোট চাচা সেদিন ছোট বাচ্চাদের মত কেঁদেছিলেন অথচ প্রিয়তির প্রতি তার এই মমতা কখনোই বুঝতে পারিনি । তার কিছুদিন পর আমার ছোট চাচী কোন অসুখ বিসুখ ছাড়াই এক রাতে মরে গেলেন । আমি সেদিন খুব অবাক হয়েছিলাম । মৃত্যূ ব্যাপারটা কেমন জানি আমাকে কখনই কষ্ট দেয়নি । কিন্তু আমার মনে আছে , তাঁর মৃত্যর পর আমি অনেকদিন কারো সাথে কথা বলি নি। ছোট চাচী আমার বন্ধুর মত ছিলেন। বলতে গেলে আমি সবসময় তার সাথেই থাকতাম। ছোট চাচা প্রাথমিক ভাবে খুব কাতর হয়ে গেলেন । সারাদিন ফরিদা ফরিদা করে মাতম করেন। ও , বলাই হয়নি আমার ছোট চাচীর নাম ছিলো ফরিদা । চাচীর চল্লিশার ঠিক পনেরো দিন পরেই ভয়ানক রকম ফর্সা আর অনেক লম্বা এক মহিলাকে চাচা ধরে নিয়ে আসেন। আমার কাছে মনে হয়েছিলো উনাকে সম্ভবত ইউরোপের কোন দেশ থেকে ধরে আনা হয়েছে। আমার সাথে তার দেখা হতেই খুব কারন দর্শানোর ভঙ্গি নিয়ে চাচা বুঝালেন , বাবা রাশেদ , বয়স তো কম হইলো না। এই বুড়া বয়সে একজন দেখার লোক তো লাগে, কি বলো? পারভীন অতি ভালো মেয়ে। এই বলে আমার সাথে নতুন চাচীর পরিচয় করিয়ে দিলেন। “ পারভীন, এ হইলো গিয়া আমার বড় ভাইয়ের পোলা রাশেদ। ভার্সিটিতে পড়ে ” আমার নতুন চাচী মানুষটা অদ্ভুত। খুব শান্ত শিষ্ট। সারাদিন গুন গুন করে একলা গান করেন । আমরা কেউ কাছে গেলেই সে গান থেমে যেত। ভদ্রমহিলাকে দেখে আমার সবসময় মনে হোতো তিনি কোন এক কারনে সারাদিন আতংকিত থাকেন। আমার আর নতুন চাচীর মধ্যে একটা মিল লক্ষ্য করেছিলাম। আমার মত তিনিও প্রায়ই আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটির সামনে একা একা দাঁড়িয়ে থাকতেন। আমাদের বাসার সামনের খালি জায়গাটায় একটা বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিলো। আমার ঠিক মনে নেই কবে এই গাছ লাগানো হয়েছিলো। সম্ভবত বাবা মারা যাওয়ার আগে। এতটুকু মনে আছে, গাছের প্রতি বাবার প্রচন্ড একটা টান ছিলো। আমাদের বাসায় সে কারনেই অনেক গাছ । কিন্তু কি কারনে যেন এই কৃষ্ণচূড়া গাছটি আমাকে সব সময় টানত। শীতকালে গাছে যখন প্রচুর ফুল ফুটত , দূর থেকে মনে হতো আমাদের বাড়ীটিতে আগুন ধরে গেছে। এই গাছটির সাথে আমার কোথায় যেন একটা মিল খুঁজে পেতাম। সবচাইতে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে বাসার অন্য সব গাছ গুলোতে সারাদিন এত পাখির আনাগোনা অথচ আমাদের এই কৃষ্ণচূড়া গাছটিতে কোন দিন কি কারনে যেন কোন পাখি বসত না। আমার মনে হতো এই নিয়ে গাছটির দুঃখের সীমা ছিল না। তাই হয়ত গাছটির সাথে আমার খুব মিল খুঁজে পেতাম। আসলে আমরা দু’জনই ভীষন একা ছিলাম।

দুই.

কম্পাস গ্রুপের এই বত্রিশ তলার উপরের অফিসটাতে আমি আগে কখনো আসিনি। বিশাল রিসেপশন। ঘরটার ইন্টেরিয়র যে কোম্পানী করেছে, তারা বেশ রুচিবান বোঝা যাচ্ছে। ঘরটাকে কেমন যেন সমুদ্রের মত লাগছে। হালকা নীল একটা আভা চারিদিকে ছড়ানো। ডান দিকের কোনায় একটা রিসেপশন কাউন্টার , সাদা রঙের চমতকার কিছু রিভলভিং চেয়ার আর মাঝখানে ছোট্ট একটি টেবিল ছাড়া আর কিছু নেই। কাঁচের দেয়াল থেকে বাইরের পৃথিবীকে খুব অপরিচিত লাগছে । এত উপর থেকে ম্যাঞ্চেস্টার শহরটাকে আগে কখনো দেখি নি। উপর থেকে সিটি সেন্টার টাকে খেলনার মত মনে হচ্ছে। কাউন্টারে বসে থাকা মেয়েটা অনেক্ষন ধরেই কোন নড়াচড়া করছে না। একদম মূর্তির মত কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে আছে । কি ট্রেনিং দেয়া হয়েছে কে জানে। কাছে গিয়ে খুব বিকট চিতকার করলে মেয়েটার কি অবস্থা হয় একটু দেখার ইচ্ছা । হঠাত করেই আমাকে অবাক করে দিয়ে মেয়েটি রিন রিনে গলায় বলল, “ মি.রাশেদ আপনি ভেতরে যেতে পারেন।” এতক্ষন ভয় লাগেনি । এখন কেমন জানি ভয় লাগছে । ভয় লাগলে আমার সাধারণত কপাল ঘামতে থাকে , মুখের থুথু শুকিয়ে যায় । আজকের দিনটা আমার জন্য বিশাল একটা ব্যাপার । কম্পাস গ্রুপের সাথে কোন কাজ করতে পারা যে কোন কোম্পানীর জন্য বিশাল একটা ব্যাপার বলেই আমার ধারনা। বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যাবসা। আমার এই প্রজেক্ট স্ট্র্যাটেজি যদি এদের পছন্দ হয় , আগামী তিন বছরের জন্য কন্ট্রাক্ট। বড় বড় রিটেইল শপ গুলোতে আমাদের স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী স্ট্রাকচার করা হবে।

-আসতে পারি?

– অবশ্যই, বসুন মি. রাশেদ। আমি ক্রিস পাইপ। কোম্পানীর একজন অতি তুচ্ছ চাকর, হা হা হা

এখানে হাসার কি আছে বুঝতে পারছি না । মধ্য বয়স্ক একজন লোক। প্রথম দেখাতে এই ভদ্রলোকের চেহারা দেখলে সবারই যা মনে হতে পারে তা হচ্ছে , চেহারায় কি যেন নেই। ফিনফিনে পাতলা সোনালী চুল । সাদা সার্টের সাথে হলুদ একটা টাই পরেছেন । দেখেই মনে হচ্ছে টাইটা যেন গলায় জোর করে পরানো হয়েছে।

– মি. রাশেদ , আমরা কাজের কথায় চলে যাই । আমরা আপনার প্রজেক্টটা দেখেছি । সত্য কথা বলতে কি , খুব ক্রিয়েটিভ । কিন্তু সমস্যা হলো , রিটেইলের ক্ষেত্রে আমাদের সাধারণত খুব ইজি গোয়িং এবং ফ্রেন্ডলি প্রজেক্ট গুলোই ইন্ট্রোডিউস করতে হয় । আমার কাছে প্রজেক্টটা তেমন একটা পছন্দ হয়নি । কিন্তু প্রজেক্ট এডভাইজারদের সেভেন্টি পার্সেন্ট আপনার এই প্রজেক্টের পক্ষে। সুতরাং আমার দ্বিমত আর ধোপে টেকে নি। হা হা হা হা । কনগ্র্যাচুলেশন্স মি. রাশেদ। রিসেপশনের মিস.জেনিথ আপনাকে সব কাগজ পত্র বুঝিয়ে দিবে । বেস্ট অফ লাক।

-মেনি থ্যাঙ্কস ক্রিস

– কিন্তু একটা ব্যাপার মি.রাশেদ । আমরা এখনি আপনার সাথে তিন বছরের কন্ট্রাক্টে যাচ্ছি না । প্রথম কন্ট্রাক্ট টা এক বছরের । তারপর যদি আমাদের মনে হয় কাস্টমার এই মেথড নিচ্ছে তাহলে আমরা কন্ট্রাক্ট আরো তিন বছরের জন্য যাব। আপনি কি এই শর্তে রাজি?

এই বলে ভদ্রলোক আমার দিকে খানিকটা ঝুঁকে এলেন।

– হ্যাঁ। আমি রাজী। আসলে আমি জানি আমার এই প্রজেক্টটা আমি আরো বেশী ডিলে বিক্রি করতে পারতাম। কিছু করার নেই । আমার বাজে সময় যাচ্ছে ।

-আমরা জানি মি.রাশেদ। আমি দুঃখিত তার জন্য । সুযোগ এলে সেটা লুফে নেয়াই আমাদের স্ট্র্যটেজি। হা হা হা হা

কেন জানি ভদ্রলোকের কথার চাইতে তার চেহারার অপূর্ন অংশটাই আমার মাথার ভেতর কাজ করছিলো। এরকম একটা সংবাদে এই লোক যেমনই হোক না কেন, তাকে খুশিতে চুমু দিয়ে দেবার কথা। আমার কেন জানি কথাই বলতে ইছা করছে না। বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে আগামী এক বছরে আমি একজন মিলিওনিয়ার হয়ে যাচ্ছি। ক্রিসের সাথে হাত মিলিয়ে চলে আসার সময় আমি তার চেহারার অপূর্ণ অংশটি ধরে ফেললাম। লোকটির চোখের ওপরে কোনো ভুরু নেই। কি কারনে যেন ঝরে গেছে।

অফিস থেকে বের হয়েই চাচার “আর্ঝেন্ট” ফোনটি পেলাম । গতকাল প্রিয়তি তার প্রথম সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মারা গেছে। মৃত্যূর আগে ভাইয়াকে দেখার জন্য নাকি ক্রমাগত কাঁদছিলো । প্রিয়তির একটা মেয়ে হয়েছে। সে ভালো আছে।

পরিশিষ্টঃ

আজকে রাতেও আমার ঘুম ভেঙ্গে গেছে । ঘামে পুরো শরীর ভিজে গেছে। স্বপ্নে যা দেখেছি তা ঠিক দুঃস্বপ্ন কিনা বুঝতে পারছি না। দেখেছি, আমার বাবা আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটি জড়িয়ে ধরে আছেন। তার গায়ে কোন কাপড় নেই। প্রিয়তি ক্রমাগত কেঁদেই চলেছে , আমি তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছি । আজকে ঘরে ইলেক্ট্রিসিটি থাকলেও, লাইট জ্বালাতে ইচ্ছা করছে না । আমার পাশের ড্রেপার্স স্ট্রীটের নিয়ন লাইট থেকে অস্পষ্ট একটা আলো এসে পড়েছে আমার ঘরে। সকালেই মনে হয় ঠিক করে দিয়ে গেছে। আবছা আলোতে কেমন জানি একটা বিষন্ন পরিবেশ তৈরী হয়েছে। আমার এই বাসার আশে পাশে খুব একটা বাড়ি ঘর নেই। তারপরেও কোথায় থেকে যেন মানুষের কথার আওয়াজ ভেসে আসছে। খুব ক্ষীন স্বরে । রাতের শব্দটা আজকে রাতে কোথায় যেন হারিয়ে গেছে । খুট খাট শব্দ গুলোও আজ নেই । আমার খুব ইচ্ছা করছে আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটির নীচে গিয়ে দাঁড়াতে। একা একা গাছটি নিশ্চই আগের মত দুঃখী দুঃখী ভাব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের সব বিষন্নতা নিয়ে আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটি কি করে যেন বেঁচে আছে।

আমার মাথায় আবার সেই ভোঁতা যন্ত্রনাটি শুরু হয়েছে । ভয়ানক একটা কষ্ট আমাকে বার বার গ্রাস করে ফেলতে লাগল। মরে যাবার মত ইচ্ছে সম্ভবত এরকম সময়েই হয়।

অথচ এত সব কিছুর ভীড়েও আমাদের কৃষ্ণচূড়া গাছটির দুঃখ আমাকে খুব প্রবল ভাবে দুঃখিত করে গেল ।

Facebook Comments

Comments

comments

SHARE
Previous articleসালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর এ্যালিবাই ডিফেন্সঃ কিছু আইনী পর্যবেক্ষণ
Next articleNijhoom Majumder's answer to BNP's lawyer on Fair Trial issue
উপরের প্রকাশিত লেখাটি আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনার ফলাফল। লেখাটি আপনার ভালো নাও লাগতে পারে, পছন্দ না-ও হতে পারে। আমার সাথে হয়ত আপনি একমত হবেন না কিন্তু আমি ধন্যবাদ জানাই আপনি এই সাইটে এসেছেন, আমার লেখাটি কষ্ট করে পড়েছেন আপনার সময় ব্যয় করে, এটিও পরম পাওয়া। সবার মতামত এক হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। দ্বিমত থাকবে, তৃতীয় মত থাকবে কিংবা তারও বেশী মতামত থাকবে আবার সেটির পাল্টা মতামত থাকবে আর এইভাবেই মানুষ শেষ পর্যন্ত তাঁর নিজের চিন্তাকে খুঁজে ফেরে নিরন্তর। আর লেখাটি ভালো লাগলে কিংবা আপনার মতের সাথে দ্বন্দ্বের তৈরী না করলে সেটি আমার জন্য বড় সৌভাগ্য। আমি সেটির জন্য আনন্দিত। আপনাদের উৎসাহে, ভালোবাসাতে আর স্নেহেই এই লেখালেখির জগতে আসা। "নিঝুম মজুমদার" পাঠ শুভ হোক, আনন্দের হোক, এই চাওয়া। আপনার এবং আপনাদের মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি সব সময়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY