আমার প্রকাশিতব্য বইয়ের সূচী-পত্র

0
466

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল বাংলাদেশ: ইতিহাস | আইন | বিচার | পর্যবেক্ষণ | বিশ্লেষন

বইয়ের সূচী-পত্র

(ক) প্রথম অধ্যায়ঃ মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বিচার প্রক্রিয়াঃ দালাল আইন ও অন্যান্য

(১) ভূমিকা

(২) মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বিচারঃ বাংলাদেশ কোলাবরেটর্স (স্পেশাল ট্রাইবুনাল) অর্ডিন্যান্স বা দালাল আইন

(৩) দালাল আইন ও তার ব্যাপ্তিঃ আইনী দিক

(৪) দালাল আইনে বিচার এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটঃ যে কারনে পুরো বিচার সফল হতে পারেনি

(ক) সাধারণ ক্ষমা নিয়ে বিভ্রান্তি, সাধারণ ক্ষমার আইনী দিক ও এটির পজিটিভ ও নেগেটিভ অভিঘাত

(খ) চূড়ান্ত অভিযুক্ত ৭৫২ জনঃ কি হোলো তাদের দন্ড পরবর্তী সময়গুলোতে?

(গ) রাজনৈতিক কারনঃ দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও রাষ্ট্রের ভূমিকা

(ঘ) প্রশাসনের ভূমিকা, সাধারণ মানুষের ভূমিকা, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, তদন্ত (পুলিশ) দলের ভূমিকা

(ঙ) বুদ্ধিজীবি ও দেশীয় রাজনৈতিক বিভিন্ন দলের ভূমিকা

(৫) ’৭৫ এবং তার পরবর্তী প্রেক্ষাপট ও দালাল আইন বাতিলঃ রাজনৈতিক কার্যকরণ ও বিচারহীনতা

(৬) দালাল আইনে অভিযুক্তদের বিচারঃ হাইকোর্ট পর্ব ও আপীলেট ডিভিশানের পর্যবেক্ষণ

(৭) দালাল আইনে পরিচালিত কিছু উল্লেখযোগ্য বিচারঃ পর্যবেক্ষণ ও মতামত (হাই কোর্টের রায় থেকে)

(ক) দালাল আখতার গুন্ডার মামলা

(খ) দালাল সাজ্জাদ হুসাইনের মামলা

(গ) দালাল খালেক মজুমদারের মামলা

(ঘ) আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু মামলাঃ ডি এল আর থেকে পর্যবেক্ষণ

(৮) দালাল আইনে পরিচালিত বিচারঃ তৎকালীন সময়ে প্রকাশিত সংবাদপত্রের ভাষ্য

(খ) দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ ঘাতকদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন

(১) ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে ঘাতকদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন

(২) ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে ঘাতকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিচারের দাবী

(৩) ১৯৭৮ সালে গোলাম আজমের বাংলাদেশে ফেরা

(৪) জিয়াউর রহমানের শাষনামলে একাত্তরের ঘাতকদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন

(৫) এরশাদের শাষনামলে একাত্তরের ঘাতকদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন

(গ) তৃতীয় অধ্যায়ঃ ’৯০ এর দশক

(১) মহান গণ-আদালতঃ ইতিহাস, প্রেক্ষাপট, বিচার এবং শহীদ জননী

(২) গণ আদালত ঘিরে রাজনীতি

(৩) রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকাঃ পক্ষ এবং বিপক্ষ

(৪) গোলাম আজমের নাগরিকত্ব মামলাঃ ইতিহাস

(৫) গোলাম আজমের নাগরিকত্ব মামলাঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(৬) একাত্তরের ঘাতকদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও অভিযোগনামা প্রকাশ

(৭) ঘাতকদের বিরুদ্ধে নাগরিক আন্দলোনের চলমান ধারা

(৮) শহীদ জননীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা

(৯) শহীদ জননীর আন্দোলন এবং নতুন প্রজন্মের উপর এই আন্দোলনের প্রভাব

(ঘ) চতূর্থ অধ্যায়ঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালস আইন-১৯৭৩, ইতিহাস ও আইনী দিক

(১) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালস আইন-১৯৭৩ এর ধারনা

(২) সংবিধানের প্রথম সংশোধনী এবং অনুচ্ছেদ ৪৭(৩)

(৩) আইন প্রণয়ন এবং সংসদে আইন উত্থাপণ ও তৎকালীন সময়ে সংসদীয় আলোচনার বিভিন্ন দিক

(৪) আইন প্রণয়নের পেছনের ব্যাক্তিরা

(৫) সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৭(৩) ও মৌলিক অধিকারঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(৬) কতিপয় মৌলিক অধিকারের রহিতকরন কতটুকু সঠিকঃ আইনী রেফারেন্সের আলোকে

(৭) আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালস আইন ১৯৭৩- বৈশ্বায়ন কাঠামোয় দেখা

(৮) ১৯৫ জন পাকিস্তানী আর্মি ও তাদের সহযোগীঃ যাদের বিচারের জন্য এই আইন ও ১৯৭৩ সালেই বিচার না হবার কারন

(৯) কোর্ট অফ জাস্টিসে পাকিস্তানের অভিযোগঃ প্লিডিং, মৌখিক আর্গুমেন্টস এবং ডকুমেন্টস

(ঙ) পঞ্চম অধ্যায়ঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে বিচারঃ সময়কাল ২০১০

(১) বিচার শুরুর প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি

(২) বিচারের দাবী ও আওয়ামীলীগের মেনিফেস্টো

(৩) প্রাক বিচার প্রস্তাবনা, আলোচনা ও ফলাফল

(৪) সংসদে আইন উত্থাপন ও পাশ

(৪) বিচারিক কাজের স্থান নির্ধারণ, বিচারপতি, প্রসিকিউটর, তদন্ত দল ও কর্মচারী নিয়োগ

(৫) আদালতের গঠন ও আইনের পরিবর্তন

(৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের রুলস এন্ড প্রসিজিওর

(৭) বিচারের আইনকে চ্যালেঞ্জঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(৮) হাইকোর্টের বিচারপতি ট্রাইবুনালে নিয়োগঃ বিরুদ্ধচারন ও ফলাফল

(৯) রেট্রোস্পেক্টিভ আইন/ এক্স পোস্ট ফ্যাক্টো ল’ ও ব্যখ্যা এবং থিওরী অফ টাইম ক্লগ

(১০) তদন্ত, সমন, গ্রেফতার

(১১) বিচারিক কাজের সূচনাঃ প্রথম অভিযুক্ত কাঠগড়ায়

(১২) সাক্ষী সুরক্ষা, ভিকটিম সাপোর্ট এবং সেফ হোম

(১৩) বিচারের পক্ষে এবং বিরুদ্ধে দেশীয় ও বৈশ্বিকভাবে অর্থভিত্তিক ও ভলান্টারী প্রচার

(ক) কেন প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হোলো বা হচ্ছে

(খ) সরকার ও অভিযুক্তের লবিস্ট নিয়োগ ও তার নানাবিধ প্রকারভেদ

(গ) বিচার বিষয়ক আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ও তার প্যাটার্ন

(ঘ) আদালতকে প্রশ্নবিদ্ধ করবার প্রচেষ্টা

(ঙ) স্কাইপি বিষয়ক বিতর্কঃ কারা রয়েছে এর পেছনে?

(চ) দু’জন প্রবাসীর প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

(জ) জাতিসংঘ ও বৈশ্বিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভূমিকা

(ঝ) সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি ও সাক্ষী নান্নু বিতর্ক

(১৪) মাননীয় বিচারপতি নাসিমকে নিয়ে বিতর্কঃ যে কারনে তিনি বিচারপতির পদে থাকলেন

(১৫) বিচারপতি এ কে এম জহিরের পদত্যাগ ও জামাতের দ্বৈত বক্তব্য

(১৬) আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম রায়ঃ বিচারহীনতার সংস্কৃতি রোধে বাংলাদেশের শুভ সূচনা

(১৭) দন্ডিত কাদের মোল্লার মামলার বিচার

(ক) ট্রাইবুনালের মামলার রায়ের আইনী পর্যালোচনা

(খ) আইনের সংশোধন ও এমিকাস কিউরি

(গ) আপীলেট ডিভিশানের রায়ঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(ঘ) রিভিউ ও আইনী পর্যবেক্ষণ

(ঙ) প্রথম দন্ড কার্যকর

(চ) কাদের মোল্লার আইডেন্টেটি বিতর্কঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(ছ) এমিকাস কিউরিঃ তাঁদের মতামত ও পর্যবেক্ষণ

(১৮) দন্ডিত দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিচার

(ক) রাজনৈতিক সহিংসতা

(খ) দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর উপস্থাপিত ডকুমেন্টঃ পর্যবেক্ষণ

(গ) রায়ের আইনী পর্যালোচনা

(ঘ) আপীল ও আপীলের রায়

(ঙ) এই মামলায় প্রসিকিউটর ও তদন্ত দলের ব্যার্থতা

(চ) রিভিউ আবেদন ও আইনী বিশ্লেষন

(১৯) দন্ডিত গোলাম আজমের বিচার

(ক) প্রাথমিক অভিযোগনামা

(খ) মামলার রায়ঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(২০) সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিচারঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(ক) আপীলেট ডিভিশানের রায়

(খ) রিভিউ ও শাস্তি কার্যকর

(গ) পূর্ব প্রকাশিত রায় বিতর্ক, ষড়যন্ত্র ও গ্রেফতার

 

(২১) আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(ক) আপীলেট ডিভিশানের রায়

(খ) রিভিউ ও শাস্তি কার্যকর

 

(২২) মতিউর রহমান নিজামীর বিচারঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(ক) আপীলেট ডিভিশানের রায় ও শাস্তি কার্যকর

(খ) ক্ষমা প্রার্থনা ও শাস্তি হ্রাসের আবেদন

(২৩) মুহম্মদ কামারুজ্জমানের বিচারঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(ক) আপীলেট ডিভিশানের রায়

(খ) রিভিউ ও শাস্তি কার্যকর

 

(২৪) জেল কোড বনাম ট্রাইবুনাল বিধি

(২৫) শাহবাগ আন্দোলনঃ গণজাগরন মঞ্চ

(ক) কেন শাহবাগ আন্দোলন হোলো

(খ) শাহবাগের আন্দোলনের দাবী গুলো কি ছিলো

(গ) কারা রয়েছে এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে?

(ঘ) শাহবাগের আন্দোলন কি বৈধ না অবৈধঃ আইনী বিশ্লেষনঃ

(ঙ) সংবিধান এবং শাহবাগ

(চ) একটি প্রদত্ত রায়কে চ্যালেঞ্জ করা কিংবা পাল্টাতে বলা কি বৈধ

(ছ) আন্দোলনের ফলে আইনের পরিবর্তন কি বিচার ব্যাবস্থার জন্য হুমকি

(জ) সরকার শাহবাগকে সমর্থন করে কি বিচারে হস্তক্ষেপ করেছে?

(ঝ) এই আন্দোলনের ফলে কি বিচারপতিদের উপর আলাদা কোনো চাপ তৈরী হয়েছে?

(ঞ) রায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কি পৃথিবীর আর কোথাও হয়েছে?

 

(২৫) আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল বাংলাদেশঃ থিওরেটিকাল কাঠামোর সাযুস্যতা

(ক) আন্তর্জাতিক অপরাধ, ধারনা এবং বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল কি আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল?

(খ) দেশীয় আদালতে আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার

(গ) Actus Reus Mens Reus

(ঘ) নেক্সাস উইথ আর্মস কনফ্লিক্ট, স্পেসিফিক ইন্টেন্ট, সাবজেক্টিভ এলিমেন্ট, মেন্টাল এলিমেন্ট এবং অন্যান্য

(ঙ) ওয়াইডস্প্রেড এবং সিস্টেমেটিক কিলিং: আইনী ব্যখ্যা ও ট্রাইবুনালের ব্যখ্যা

(ঘ) Jus Cogens এবং Obligations Erga Omnes

(ঙ) আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের সাধারন থিওরেটিকাল কাঠামো

(চ) বাংলাদেশের ট্রাইবুনালে বিচারিক জুরিসপ্রুডেন্স ও থিওরেটিকাল কাঠামোর আইনী প্রয়োগ

(ছ) অপরাধের সঙ্গা ও বিতর্ক

(জ) কমান্ড রেস্পনসিবিলিটির ধারনা ও ব্যখ্যা

(ঝ) জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ

 

(২৬) আন্তর্জাতিক মান ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বাংলাদেশ

(২৭) কনসেপ্ট অফ ফেয়ার ট্রায়াল ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বাংলাদেশ

(২৮) কেন আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের এই চলমান বিচার করা সম্ভব নয়

 

(২৯) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, হেগ

(ক) ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আইন

(খ) সীমাবদ্ধতা

(গ) ন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যশনাল জুরিসডিকশান

(ঘ)  নানাবিধ আদালতে আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার ও নানাবিধ দ্বিচারিতা ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ

 

(৩০) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং “কমপ্লিমেন্টারিটি”

(৩১) এড-হক ভিত্তিক ট্রায়াল ও জাতিসংঘ

(৩২) ট্রাইবুনালের রায় ও এখানে প্রোয়োগ করা এই জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আদালতের রেফারেন্স

(৩৩) ডিউ প্রসিজিওর ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বাংলাদেশ

 

(৩৪) বিচারপতিদের ভূমিকা

(ক) বিচারপতির পদত্যাগ ও বিচারের অবস্থান

(খ) বিচারপতিদের নিরপেক্ষতাঃ লিনিয়েন্ট এপ্রোচ

(গ) বিচারপতিদের গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য

(ঘ) ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ দেবার নির্দেশ

 

(৩৫) সাক্ষ্য, সাক্ষী আইন ও প্রবেটিভ ভ্যালু

(৩৬) এলিবাই ডিফেন্স ও Tu Quoque ডিফেন্স

(৩৭) ডাবল জিওপার্ডি /ne bis en idem ধারনা

(৩৮) বৈরী সাক্ষী ও সাক্ষীর ক্রেডিবিলিটিঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(৩৯) সাক্ষী কর্তন ও লিখিত বিবৃতিকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের ধারনা

(৪০) বিবাদী পক্ষের আইনজীবিদের দূর্বলতা ও ভুলঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(৪১) বিদেশী আইনজীবিদের ট্রাইবুনালে অনুমতি বিতর্কঃ আইন ও ব্যাখ্যা

(৪২) ইন্টারলোকেটরী এপ্লিকেশন ও ট্রাইবুনালের অর্ডার

(৪৩) ট্রাইবুনাল নাম্বারঃ ২ এবং এক ট্রাইবুনাল থেকে অন্য ট্রাইবুনালে মামলা স্থানান্তরকরণ

(৪৪) দুই ট্রাইবুনাল থেকে পুনরায় একটি ট্রাইবুনালে রূপান্তর

 

(৪৫) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও আদালত অবমাননা

(ক) বার্গম্যানের আদালত অবমাননা মামলার রায়ঃ আইনী পর্যবেক্ষন

(খ) ডাঃ জাফরুল্লাহর আদালত অবমাননার রায়ঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(গ) ৪৯ জন নাগরিকের ট্রাইবুনাল বিরোধী বিবৃতি ও ক্ষমা প্রার্থনা

(ঘ) আদালত অবমাননার অভিযোগে আদালতে রাজনীতিবিদেরা

 

(৪৬) ৩০ লক্ষ শহীদ বিষয়ক বিতর্ক ও আদালতের অবস্থান

(ক) জেনোসাইড ডিনায়াল আইনের দাবী ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

(খ) জেনোসাইড ডিনায়াল আইন ও ইউরোপের অবস্থান

(গ) জেনোসাইড ডিনায়াল ল ইন বাংলাদেশঃ আইনী প্রস্তাবনা

 

(৪৭) বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডের দন্ডপ্রাপ্ত আসামী চৌধুরী মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামানঃ আইনী পর্যবেক্ষণ

(ক) মুক্তিযুদ্ধকালীন বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড এবং তার মনস্তাত্বিক কারন

(খ) একাত্তরের ঘাতক দালালদের বিচার শুরু এবং তার স্থগতিকরণ এবং ৩৯ বছর পর আবার বিচার শুরুর পদক্ষেপ

(গ) কেন চৌধুরী মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খান এর বিচার করাটা অত্যন্ত অপরিহার্য্য ছিলো?

(ঘ) চৌধুরী মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের অনুপস্থিতে তাদের যৌথ বিচার কি আইনসম্মত হয়েছে?

(ঙ) চৌধুরী মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলো

(চ) চৌধুরী মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খানের বিচারঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রায়ের একটি আইনী পর্যবেক্ষণ

(ছ) মইনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামানের বিচারের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, আন্তর্জাতিক মান ও নিরপেক্ষতাঃ অনুসন্ধানী  পর্যবেক্ষন

(জ) ফেয়ার ট্রায়াল প্রশ্নে বিবাদীদের মধ্যে অসাঞ্জস্যতা

(ঝ) মইনুদ্দিনকে যুক্তরাজ্য এবং আশরাফুজ্জামানকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে নেবার ব্যাপারে আইনী বিষয়াদির পর্যবেক্ষণ

(ঞ) আন্তর্জাতিক অপরাধের ক্ষেত্রে বিচারকেন্দ্রিক মূল আইনী কাঠামো, কন্টেন্ট বিবেচনা ও এই মামলায় তার প্রয়োগ

 

(৪৮) আপীলেট ডিভিশানের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন ও আইনী দিক

(৪৯) মার্সি পিটিশান ও সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ

(৫০) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের প্রচলিত কারাবিধি

(৫১) দন্ড কার্যকর প্রক্রিয়া

(৫২) বিচারিক কার্যক্রমে প্রসিকিউটরদের এবং তদন্ত দলের ভূমিকা,দক্ষতা ও তাদের ব্যাপারে আদালতের পর্যবেক্ষণ

(৫৩) এটর্নী জেনারেলের ভূমিকা ও আলোচ্য মামলাতে তাঁর কর্মদক্ষতা

(৫৪) বিচারিক সময়ের হিসেবঃ কেমন সময় লাগছে কিংবা লাগতে পারে ও তূলনামূলক আলোচনা

(৫৫) আন্তর্জাতিক অনান্য অপরাধ আদালতঃ সমালোচনার বাইরে কোনো আদালতই নয়

(৫৬) বিচারিক ব্যয় ও খরচের তুলনামূলক অবস্থানঃ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত এবং বাংলাদেশের ট্রাইবুনাল

(৫৭) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বাংলাদেশঃ বিচারের পক্ষে বিশ্ব জনমত

(৫৮) বাংলাদেশের এই ট্রাইবুনাল নিয়ে অন্যান্য রাষ্ট্রের ভূমিকা

(৫৯) বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিচারঃ একটি রাজনৈতিক পর্যালোচনা

(৬০) বিচারের দায় শুধু কেন আওয়ামীলীগের উপর বর্তালোঃ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ

(৬১) ট্রাইবুনালের স্লথ গতি নিয়ে অভিযোগঃ কিছু পর্যবেক্ষণ

(৬২) বিবাদী পক্ষের সময়ক্ষেপন, আদালতের পর্যবেক্ষণ ও বক্তব্য

(৬৩) ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান নিয়োগে দেড়মাস সময়ক্ষেপনঃ কার লাভ, কার ক্ষতি?

(৬৪) ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এডভোকেট আনিসুল হকঃ দুই আইনমন্ত্রীর দুই টার্মের ভূমিকা

 

(চ) ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ বিচার নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষন

 

(১) বিচার, রায় ও রায় বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের বক্তব্য

(২) পাকিস্তানের সংসদের ভূমিকা

(৩) কূটনৈতিক পর্যায়ে ভূমিকা

(৪) পাকিস্তানী রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, সাংসদদের প্রতিক্রিয়া

(৫) পাকিস্তানী গণমাধ্যমের ভূমিকা

(৬) বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া ও বিক্ষোভ

 

(ছ) সপ্তম অধ্যায়ঃ ১৯৫ জন অভিযুক্ত পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের গণআদালতে বিচারের প্রস্তাব

 

(১) বিচারের পরিকল্পনা, উদ্যোগ

(২) বিচারের স্থান

(৩) বিচারের আইনী দিক ও সম্ভাবনা এবং অভিঘাত

 

(জ) অষ্ঠম অধ্যায়ঃ বিচারহীনতার সংস্কৃতি রোধ ও নতুন বাংলাদেশ

 

(১) এই বিচারের ফলে বাংলাদেশের অর্জন

(২) ট্রাইবুনাল ও আইনের শাষনের নতুন উন্মেষ

(৩) ট্রাইবুনালের বিচার নিয়ে নতুন প্রজন্মের ভাবনা

 

(ঝ) নবম অধ্যায়ঃ রেফারেন্স ও ডকুমেন্ট প্রাপ্তি

(১) সহায়ক রেফারেন্স

(২) বিচারিক বিষয়ক প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ কিছু দূর্লভ রেফারেন্স যেভাবে সংগৃহীত হোলো

(৩) ছবি সংগ্রহ ও সংযুক্তি

(৪) বিচার বিষয়ক গবেষনাকালীন সময়ে ডকুমেন্ট প্রাপ্তির বিড়ম্বনাঃ অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ

(৫) ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (ICR Foundation) ভূমিকা

(৬) সমাপনী বক্তব্য

Facebook Comments

Comments

comments

SHARE
Previous articleদায়টা শুধু আওয়ামীলীগের কেন?
Next articleআপীল বিভাগ থেকে প্রকাশিত নিজামীর পূর্ণাঙ্গ রায়
উপরের প্রকাশিত লেখাটি আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাবনার ফলাফল। লেখাটি আপনার ভালো নাও লাগতে পারে, পছন্দ না-ও হতে পারে। আমার সাথে হয়ত আপনি একমত হবেন না কিন্তু আমি ধন্যবাদ জানাই আপনি এই সাইটে এসেছেন, আমার লেখাটি কষ্ট করে পড়েছেন আপনার সময় ব্যয় করে, এটিও পরম পাওয়া। সবার মতামত এক হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। দ্বিমত থাকবে, তৃতীয় মত থাকবে কিংবা তারও বেশী মতামত থাকবে আবার সেটির পাল্টা মতামত থাকবে আর এইভাবেই মানুষ শেষ পর্যন্ত তাঁর নিজের চিন্তাকে খুঁজে ফেরে নিরন্তর। আর লেখাটি ভালো লাগলে কিংবা আপনার মতের সাথে দ্বন্দ্বের তৈরী না করলে সেটি আমার জন্য বড় সৌভাগ্য। আমি সেটির জন্য আনন্দিত। আপনাদের উৎসাহে, ভালোবাসাতে আর স্নেহেই এই লেখালেখির জগতে আসা। "নিঝুম মজুমদার" পাঠ শুভ হোক, আনন্দের হোক, এই চাওয়া। আপনার এবং আপনাদের মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি সব সময়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY